আজ আপনাদের একটি সত্যি ঘটনা শোনাতে চলেছি যেটা সত্যি ঘটনা বলেই বিশ্বাস করেন শ্রীলঙ্কার এক উপজাতি।

শ্রীলঙ্কার গভীর জঙ্গলে বসবাসকারী মাথাঙ্গ বা মাতুঙ্গা (Mathang) উপজাতি এবং হনুমান জির মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে একটি অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে ।
এই ঘটনা বা বিশ্বাসের মূল পয়েন্টগুলো হলো-
প্রতি ৪১ বছর অন্তর দর্শন: মাথাঙ্গ উপজাতির দাবি অনুযায়ী, ভগবান হনুমান প্রতি ৪১ বছর অন্তর তাদের সাথে দেখা করতে আসেন । ভক্তদের বিশ্বাস, তিনি চিরঞ্জীবী এবং কলিযুগেও তিনি পৃথিবীতে অবস্থান করছেন ।
প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ত্রেতাযুগে শ্রী রামচন্দ্রের মহাপ্রস্থানের পর হনুমান জি দক্ষিণ ভারতের জঙ্গল হয়ে শ্রীলঙ্কায় যান। সেখানে মাথাঙ্গ উপজাতির লোকেরা তাঁকে সেবা ও আশ্রয় প্রদান করেন। তাদের ভক্তিতে সন্তুষ্ট হয়ে তিনি প্রতি ৪১ বছর অন্তর তাদের দর্শন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন ।
লগ বুক (Log Book): মাথাঙ্গ উপজাতিরা একটি বিশেষ 'লগ বুক' বা দিনলিপি রক্ষণাবেক্ষণ করে বলে জানা যায়। সেখানে হনুমান জির আগমন, তাঁর বলা কথা এবং তাঁর প্রতিটি মুহূর্তের বর্ণনা লিপিবদ্ধ করা হয় । শ্রীলঙ্কার একটি আধ্যাত্মিক সংস্থা 'Setuu' এই লগ বুক নিয়ে গবেষণা করছে ।
ভিডিওর লিংক নিচে দেওয়া হলো 👇👇👇
https://youtube.com/shorts/sz_n9sjrJGo?si=b2dTlipxzAYaIt9Y
সর্বশেষ ও পরবর্তী আগমন: নথিপত্র অনুযায়ী, হনুমান জির শেষ আগমন ঘটেছিল ২০১৪ সালের ২৭ মে। সেই হিসেবে তাঁর পরবর্তী আগমনের সম্ভাব্য সময় ধরা হয়েছে ২০৫৫ সাল ।
শুদ্ধতা ও হনুমণ্ডল: মাথাঙ্গরা বিশ্বাস করেন যে, হনুমান জি যখন আসেন তখন তারা নিজেদের চারপাশে 'হনুমণ্ডল' নামক একটি পবিত্র বলয় তৈরি করেন । তাদের মতে, শুধুমাত্র পবিত্র আত্মারাই তাঁকে দেখতে পান; আধুনিক কলুষিত পৃথিবীর মানুষের চোখের সামনে তিনি অদৃশ্য থাকেন ।
এই উপজাতিটি আধুনিক সভ্যতা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এবং তারা নিজেদের বিভীষণের বংশধর বলে দাবি করে । যদিও মূলধারার বিজ্ঞান বা ইতিহাসে এর কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই, তবে হিন্দু ধর্মালম্বী ও হনুমান ভক্তদের কাছে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং রহস্যময় একটি ঘটনা



You must be logged in to post a comment.